সংবাদ শিরোনামঃ
সুন্দরবনের ভেসে আসা বনজ বীজ সংগ্রহ বন্ধে শ্যামনগরে ‘লংমার্চ ফর ফরেস্ট’ ও স্মারকলিপি প্রদান দেবহাটা জমির সীমনা নিয়ে বিরোধে বিভিন্ন ফলের গাছ কর্তন হুমকীসহ,পুকুরে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ  সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত শওকত সরদার বনদস্যু নন: মিথ্যা প্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন হয়েছে বারসিক’র উদ্যোগে স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক সংলাপ অনুষ্ঠিত   নীলডুমুর বাজারের হারুনের হার্ডওয়্যার দোকানে বিশাল অজগর সাপ, বনবিভাগের উদ্ধার অভিযান নারীঘটিত কেলেঙ্কারির অভিযোগে বুড়িগোয়ালিনী গাজিবাড়ি জামে মসজিদের ইমাম অপসারিত বিশ্ব পরিবেশ দিবসে শ্যামনগরে ‘ইয়ুথ ফর সুন্দরবন’-এর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কুলিয়ায় জমিজমা সংক্রান্ত কেন্দ্র করে পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত, থানায় অভিযোগ  মুরুব্বীদের দোয়া মাথায় নিয়ে এগিয়ে চলছে আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী ইঞ্জিঃ এস,এম জাহিদুর রহমান শোভন পাইকগাছা উপজেলা সূশীল সমাজ সংগঠন(সিএসও)র অর্ধ-বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত
সুন্দরবনের দূবলার চরে রাসমেলা২০২১ সাল থেকে সরকারি ভাবে স্থায়ী বন্ধ

সুন্দরবনের দূবলার চরে রাসমেলা২০২১ সাল থেকে সরকারি ভাবে স্থায়ী বন্ধ

উপকূলীয় অঞ্চল(শ‍্যামনগর)প্রতিনিধি।

সরকারিভাবে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের স্বার্থে রাসমেলা ২০২১ সাল থেকে স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হয়েছে।
তবে রাস পূর্ণিমার সময়ে শুধুমাত্র তীর্থযাত্রী বা সনাতন ধর্মাবলম্বীরা (২৫-২৭ নভেম্বর,২০২৩) রাসপূজা ও পুন্যস্নানে অংশগ্রহণ করতে পারবে বলে জানান বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা এবি এম হাবিবুল ইসলাম।

তিনি আরো বলেন
অন্য কোন ধর্মের মানুষ কোনভাবেই অংশগ্রহণ করতে পারবেনা।
বনবিভাগ সূত্রে আরো জানাযায় সুন্দরবন সুরক্ষায় বন বিভাগের পক্ষ থেকে সাতক্ষীরা রেঞ্জ এলাকার রাস পূজা উপলক্ষে যে রুট চলাচলের জন‍্য নির্ধারণ করা হয়েছে,সেসমস্ত রুটে বসানো হবে কঠোর নিরাপত্তা।
তাছাড়া পূজা চলাকালীন সময়ের এক সপ্তাহ আগেই বন্ধ করা হচ্ছে সুন্দরবনের সকল ধরনের জেলেদের পাস পারমিট,যাহাতে কোন ধরনের বন অপরাধ করার সুযোগ না পায়।

শুধুমাত্র সনাতন ধর্মাবলম্বীগণ রাস পূজা ও পুণ্যস্নান গমন করতে পারবেন
সুন্দরবনে দুবলার চরে (আলোরকোল) রাসপূর্ণিমা ( উপলক্ষে পুণ্যার্থীদের রাসপূজা ও পুণ্যস্নান/২০ ২৩ রাসপূর্ণিমার রাসপূজা ও পুণ্যস্নান উপলক্ষে ২৫ হতে ২৭ নভেম্বর, ২০২৩ তারিখ পর্যন্ত ৩(তিন) দিনের জন্য সুন্দরবনে প্রবেশ ও অবস্থানের অনুমতি দেয়া হবে বনবিভাগ থেকে।

যাতায়াতের রুট/পথ

(১) ঢাংমারী/চাঁদপাই ষ্টেশন তিনকোনা আইল্যান্ড দুবলার চর (আলোরকোল) (২) বগী বলেশ্বর সুপতি ষ্টেশন, কচিখালী, শেলারচর দুবলার চর (আলোরকোল)

(৩) বুড়িগোয়ালিনী/কোবাদক বাটুলা নদী বল নদী পাটকোষ্টা খাল হংসরাজ নদী দুবলার চর (আলোরকোল)

(৪) কয়রা কাশিয়াবাদ খাসিটানা বজবজা আড়ুয়া শিবসা নদী (৫) নলিয়ান ষ্টেশন শিবসা নদী মরজাত নদী দুবলার চর (আলোরকোল) মরজাত নদী দুবলার চর (আলোরকোল)।

রাসপূর্ণিমার রাসপূজা ও পুণ্যস্নান উপলক্ষে পুণ্যার্থীদের জন্য করণীয়/বর্জনীয় কার্যসমূহ

পুণ্যার্থীদের জন্য করণীয়:

সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী পুণ্যস্নান অনুষ্ঠানে শুধুমাত্র সনাতন ধর্মাবলম্বীরাই সুন্দরবনের দুবলার চরে গমন করতে পারবেন, অন্য কোন ধর্মের লোক পুন্যস্নান অনুষ্ঠানে,

গমন করতে পারবেন না। পুণ্যার্থীদের অবশ্যই নিজ নিজ জাতীয় পরিচয়পত্রের মূলকপি সাথে রাখতে হবে। পুণ্যার্থীগণ সুন্দরবনে প্রবেশের সময় সংশ্লিষ্ট বন বিভাগের অফিসে জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটো কপি জমা দিতে হবে।

সকলকে বাধ্যতামূলকভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

পুণ্যার্থীদেরকে প্রবেশের সময় অনুমতির জন্য প্রতিটি এন্ট্রি পয়েন্টে আইডি কার্ডের ফটোকপি প্রদান করে লঞ্চ/ট্রলার/ নৌকার প্রবেশ মূল্য, অবস্থান ফি, ক্যামেরা ফি এবং পুণ্যার্থীর সংখ্যা অনুযায়ী বিধি মোতাবেক রাজস্ব দাখিল করে পাশ/অনুমতি গ্রহণ করতে হবে। কেবলমাত্র পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্ণালয়ের লিখিত অনুমতি সাপেক্ষে রাজস্ব প্রদান পূর্বক ড্রোন ব‍্যবহার করা যাবে। পুণ্যার্থীদেরকে ২৫ নভেম্বর, ২০২৩ খ্রিঃ তারি খে দিনের ভাটিতে (ভোর ৬ ঘটিকার পর) দুবলার রাসপূর্ণিমার পূণ্যস্নানস্থলের উদ্দেশ্যে যাত্রা করতে হবে।

পুণ্যার্থী ও জলযানের জনবলসহ মোট জনবলের তিন দিনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিমাণ দেশি জ্বালানী কাঠ বাধ্যতামূলকভাবে সাথে নিতে হবে।
প্রতিটি অনুমতি পত্রে পথ/রুট উল্লেখ থাকবে এবং পূণ্যার্থীরা পছন্দমত একটিমাত্র রুট/পথ ব্যবহার করবেন।

রাস পূর্ণিমা উপলক্ষে পুণ্যস্নান অনুষ্ঠানে আগত পুণ্যার্থীরা খাবার বা অন্যান্য দ্রব্যাদির প্যাকেট অথবা খাদ্যদ্রব্যের উচ্ছিষ্ট নিজ নিজ জলযানে বা নির্দিষ্ট স্থানে রাখবেন। রাস পূর্ণিমা শেষে অর্থাৎ ভ্রমণ শেষে ফেরার সময় একই রুটে ফিরতে হবে এবং যে স্টেশন হতে পাশ ইস্যু করা হয়েছে, সেই স্টেশনেই পাশ সমর্পন করে সার্টিফিকেট নিতে হবে।

পুণ্যার্থীদের জন্য বর্জনীয় কার্যসমূহঃ

দুবলার চরের আলোরকোলে রাস পূর্ণিমা উপলক্ষে পূজা ও পুণ্যস্নান চলাকালীন রাসমেলা হবে না। এছাড়া সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, কীর্ত্তন করা যাবেনা।

দুবলার চরে স্থাপিত কন্ট্রোল রুমে রিপোর্ট করা ব্যতীত পুণ্যস্নানস্থলে বা সুন্দরবনের কোথাও অবস্থান করা যাবে না।

পুণ্যস্নানের উদ্দেশ্যে গমনকারী কোন জলযানে ৫ ০(পঞ্চাশ) জনের বেশি কোনো অবস্থাতেই পরিবহন করা যাবেনা, তাছাড়া রাতে কোন জানবাহন চলাচল করা যাবে না।

কোনো অবস্থাতেই সুন্দরবনের ভিতর হতে জ্বালানী কাঠ সংগ্রহ করা যাবে না এবং বন্যপ্রাণী শিকার করা ও মাছ ধরা যাবে না।।

রাস পূর্ণিমার পুন্যস্নানে গমনের সময় কোন দেশীয় অস্ত্র, আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্য, হরিণ ধরার ফাঁদ, দড়ি, গাছ কাটার কুড়াল, করাত ইত্যাদি ব্যবহার/বহন করা যাবে না।আলোরকোল (দুবলা) যাওয়ার পথে মাইক বাজানো, কোনরুপ পটকা, বাজি ইত্যাদি ফুটানোসহ কোনো প্রকার শব্দ দূষণ করা যাবে না।

রাস পূর্ণিমার পুণ্যস্নান অনুষ্ঠানে আগত পুণ্যার্থীরা গৃহপালিত হাঁস/মুরগী ​​ছাড়া অন্য কোন প্রাণীর মাংস বহন/রান্না করতে পারবেন না।

পুণ্যার্থীরা সুন্দরবনের অভ্যন্তরে ২৭ নভেম্ব র, ২০২৩ খ্রিঃ তারিখের পর অবস্থান করতে পারবেন না ।

রাসপূর্ণিমা উপলক্ষে পুণ্যস্নান অনুষ্ঠানে আগত পুণ্যার্থীরা খাবার পানির বোতল বা অন্যান্য দ্রব্যাদির প্যাকেট অথবা খাদ্যদ্রব্যের উচ্ছিষ্ট নদীতে/যত্রতত্র ফেলতে পারবেন না। নিজ নিজ জলযানে প্লাষ্টিক বোতলসহ সকল আবর্জনা সংরক্ষণকরতঃ সুন্দরবনের বাহিরে নিয়ে আসতে হবে।

রাস পূর্ণিমার পুণ্যস্নান অনুষ্ঠানে আগত পুণ্যার্থীরা রাতে পুণ্যস্নান অনুষ্ঠানের বাইরে কোন স্থানে অবস্থান করতে পারবেন না।

১৫০ ফুট এর বেশি দৈর্ঘ্যের কোনো লঞ্চ সুন্দরবন প্রবেশ করতে পারবে না।

কোন অবস্থাতেই অপচনশীল দ্রব্য যেমন-প্লাষ্টিক পণ্য, এ্যালুমিনিয়াম ফয়েল, পানির বোতল, বিচকিট, চানাচুরের প্যাকেট ইত্যাদি নদীতে বা শুকনো জায়গায় ফেলা যাবে না। বন বিভাগ কর্তৃক প্রতি পুণ্যার্থী/তীর্থযাত্রীকে প্রদত্ত টোকেন সর্বদা নিজের নিকট রাখতে হবে। কোনো অবস্থাতেই হস্তান্তর বা অন্যের নিকট রাখা যাবে না।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

বাগেরহাট প্রতিনিধি: বাগেরহাটের শরণখোলার একটি কাঁকড়া আড়ৎ থেকে প্রায় ১০০ কেজি সুন্দরবনের নিষিদ্ধ কাঁকড়া জব্দ করেছেন বনবিভাগ সদস্যরা। জব্দ করা কাঁকড়ার আনুমানিক মূল্য দেড় লাখ টাকা। বুধবার (১৭ জানুয়ারী) বেলা ১২টার সময় মেসার্স তালুকদার এন্টারপ্রাইজ থেকে কাঁকড়া জব্দ করা হয়।

সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) শেখ মাহাবুব হাসান বলেন, সুন্দরবনে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি এই দুই মাস কাঁকড়ার প্রজনন মৌসুম। এই সময় কাঁকড়া আহরণ, পরিবহন, মজুদ বা বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কিন্তু একশ্রেণির অসাধু ব্যক্তি গোপনে বনে প্রবেশ করে কাঁকড়া আহরণ করে পাচারের চেষ্টা করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে আমরা রাজৈর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের পাশে মেসার্স তালুকদার এন্টাইরপ্রাইজ  আড়ৎ থেকে তিনটি ঝুড়ি এবং দুটি বস্তায় ভর্তি প্রায় ১০০ কেজি জ্যান্ত কাঁকড়া জব্দ করি। এ সময় জড়িতরা পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি। তিনি আরো বলেন, এই কাঁকড়ার মালিক উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম ডালিম ও খোন্তাকাটা ইউনিয়নের রাজৈর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য ও মজিবর তালুকদার। এদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে। জব্দকৃত কাঁকড়া আদালতের নির্দেশে সুন্দরবনে অবমুক্ত করা হবে।

সুন্দরবনের কাঁকড়া শরণখোলা আড়ৎ থেকে জব্দ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *